সাধারণ মৌসুমি ফ্লুও যেভাবে হয়ে উঠতে পারে বড় বিপদ
সামান্য ফ্লু হয়েছিল। বাড়িতে প্যারাসিটামল, পর্যাপ্ত তরল আর বিশ্রামই চিকিৎসা—বলেছিলেন চিকিৎসক।
ফ্লু কী, কেন হয়
মৌসুম পরিবর্তনের সময়ে, বিশেষ করে শীতের শুরু বা শেষে হুট করেই যে কারও গা ম্যাজম্যাজ করে জ্বর চলে আসতে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, হাঁচি, কাশি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা ইত্যাদি। প্রায় সব পরিবারেই এটা একটা পরিচিত অসুখ হয়ে উঠেছে। এই মৌসুমি ফ্লুর আক্রমণে রীতিমতো অভ্যস্ত হয়ে গেছি আমরা। আর অনেকেই জানেন এর পেছনে যে ভাইরাসটি থাকে, তার নাম হচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস।
কথায় বলে চিকিৎসা করলে ফ্লু সারে সাত দিনে, না করলে এক সপ্তাহে। এমনটা বলা হয় কারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে পাঁচ থেকে সাত দিন জ্বর, সর্দি–কাশিতে ভুগে বেশির ভাগ রোগী আপনা–আপনিই সুস্থ হয়ে যান। তাই সময় সময় ফ্লু আমাদের ভোগান্তির কারণ হলেও একে নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
তবে ফ্লু ভাইরাসের প্রাণসংহারী ভূমিকা নেই—এ কথা বলা যাবে না। শুনে অবাক হবেন, বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর প্রায় আড়াই লাখ থেকে সাড়ে ছয় লাখ রোগী ফ্লু ভাইরাসজনিত জটিলতায় প্রাণ হারান। মানে ফ্লু ভাইরাস এমনিতে এলেবেলে হলেও জটিল আকার ধারণ করলে মৃত্যুর কারণও হতে পারে।